আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্সকে নিখুঁতভাবে ব্যবহার করতে চাইছে সব স্মার্টফোন কোম্পানীগুলি। AI দিয়ে ইউজার ইন্টারফেসকে আরও উন্নত ও স্মার্ট লুক দেওয়া এখন স্মার্টফোনগুলোর মধ্যে একটা হিড়িক বলতে পারেন। কেউ এই দৌড়ে পিছিয়ে নেই। Samsung Galaxy S26 Ultra স্মার্টফোনটি AI কে কাজে লাগিয়ে ইউজারের পাশে থেকে তার নিত্য দিন কাজের ধরন আয়ত্ত করে তাকে আরও বেটার পরিষেবা প্রদান করে থাকে। Samsung Galaxy S25 Ultra স্মার্টফোনটিও Top flagship ফোনের মধ্যে একটি। 2026 সালে দাঁড়িয়ে স্যামস্যাং গ্যালাক্সি S26 Ultra ভালো না স্যামস্যাং গ্যালাক্সি S25 Ultra ভালো এই নিয়ে বিচার করতে বসেছি। Samsung Galaxy S26 Ultra vs S25 Ultra Comparison কীওয়ার্ডটি নিয়ে দুই পক্ষের তুলনামূলক আলোচনায় আপনারা সহজেই জেনে নিতে পারবেন দুটি ফোনের মধ্যে কোনটি আপনার সেরা পছন্দ হতে পারে বা আপনি স্যামস্যাং গ্যালাক্সি S25 Ultra কিনে থাকলেও স্যামস্যাং গ্যালাক্সি S26 Ultra তে নিজেকে আপগ্রেড করবেন কিনা এই ধারণা একদম জলের মতো পরিষ্কার হয়ে যাবে। Gaget60-এর এই উদাহরণ সহযোগে দুই পক্ষের গভীর আলোচনায় উঠে আসবে আপনার মূল্যবান সিদ্ধান্তটি। যা আপনাকে সঠিক বাজেট ফোন ও গুরুত্বপূর্ণ স্মার্টফোন সংগ্রহ করতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা নেবে।
মূলত এই আর্টিকেলে আমরা আপনাদের জানিয়ে দেবো- Samsung S26 Ultra vs S25 Ultra specifications সম্বন্ধে। এছাড়াও Samsung S26 Ultra vs S25 Ultra camera comparison পক্ষ ও বিপক্ষ পর্যালোচনা। Samsung S26 Ultra vs S25 Ultra design কেমন, দেখতে কতটা প্রিমিয়াম, কি কি রঙের হয় ইত্যাদি। Samsung S26 Ultra vs S25 Ultra battery কতটা শক্তিশালী, ব্যাক আপ করার ক্ষমতা আরও অনেক কিছু। Samsung S26 Ultra vs S25 Ultra performance এখন কেমন, ভবিষ্যতে কেমন হওয়া লাগতে পারে তাও মতামত জানাবো আপনাদের। এবং সবশেষে প্রশ্নের উত্তর: is Samsung S26 Ultra better than S25 Ultra? Samsung Galaxy S26 Ultra or S25 Ultra এই দুইয়ের মধ্যে কোনটা কিনবো?
Samsung Galaxy s26 Ultra vs s25 Ultra specifications
Samsung S25 Ultra আর Samsung S26 Ultra স্মার্টফোন দুটি প্রথমটা 2025 সালে ও দ্বিতীয়টা 2026 সালে লঞ্চ হলেও দুটির মধ্যে বেসিক কিছু পার্থক্য রয়েছে। স্যামসাং আল্ট্রা S25 ও S26 এর মধ্যে বিশেষ কিছু ফিচারের পরিবর্তন ছাড়া আর কিছুই উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হয় নাই অর্থাৎ পুরোনোটার চেয়ে নতুনটা Refined অবস্থায় এসেছে বলতে পারেন। Samsung Galaxy S26 Ultra vs S25 Ultra Comparison দেখানোর সময় উদাহরণ দিয়ে বলা হল ধরুন, মডেলে একটু পরিবর্তন, হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার একটু উন্নত, ক্যামেরা টিউনিং ভালো করা, ব্যাটারি লাইফ একটু বাড়ানো। সঠিকভাবে বোঝার জন্য় আপনাদের সামনে একটা টেবিল রেখে দেওয়া হলো। তাতে আপনারা খুব সহজেই দুই ফোনের স্পেশিফিকেশনের তুলনা বুঝতে পারবেন। ব্যবহার করে থাকলে আরও পরিষ্কারভাবে compare করে নিতে পারবেন।
প্রধান স্পেসিফিকেশন:
Samsung S26 Ultra | Samsung S25 Ultra |
| প্রসেসর : CPU অক্টাকোর (2×4.74 GHz Oryon V3 ফোনিক্স এল + 6×3.62GHz Oryon V3 ফোনিক্স এম ) GPU Adreno 840 (1.3 GHz) চিপসেট কোয়ালকম SM8850-1-AD স্ন্যাপড্রাগন 8 এলাইট Gen 5(3nm) | প্রসেসর : CPU অক্টাকোর (2×4.47 GHz Oryon V2 ফোনিক্স এল + 6×3.53 GHz Oryon V2 ফোনিক্স এম ) GPU Adreno 830 (1200 MHz) চিপসেট কোয়ালকম SM8750-1-AC স্ন্যাপড্রাগন 8 এলাইট (3nm) |
| RAM : 12 জিবি 16 জিবি স্টোরেজ : 256 জিবি 512 জিবি 1 টিবি Flash Storage : UFS 4.X | RAM : 12 জিবি 16 জিবি স্টোরেজ : 256 জিবি 512 জিবি 1 টিবি Flash Storage : UFS 4.0 |
| অপারেটিং সিস্টেম (OS) অ্যাণ্ড্রয়েড 16, Upto 7 major অ্যাণ্ড্রয়েড আপগ্রেডস, One UI 8.5 | অপারেটিং সিস্টেম (OS) অ্যাণ্ড্রয়েড 15, Upto 7 major অ্যাণ্ড্রয়েড আপগ্রেডস, One UI 8 |
স্যামসাং S26 আল্ট্রা ফোনেতে একটা CPU এর মধ্যে ৮টি মিনি প্রসেসর আছে। সোজা কথায় বলতে গেলে ৮টা পার্ট বা অংশ আছে যেখানে মূলত তিন ধরনের কাজ সম্পন্ন হয়ে থাকে। যেমন, প্রথম কাজটা হলো ক্যালকুলেশন করা (এটা করে ALU ইউনিট- Arithmatic Logic Unit), দ্বিতীয় যে কাজটি এখানে হয় সেটা হলো কোনো কাজের সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া, লজিক দিয়ে বলা, কন্ডিশন লাগানো এগুলো অবশ্য ALUই করে। তৃতীয় কাজটি করে সমস্ত কিছু কন্ট্রোল করা, কোনটা আগে আর কোনটা পরে সংঘটিত হবে সেটা দেখা। যেমন, কোন অ্যাপ ওপেন করতে হবে, গেম চালাতে হবে এইসবের কন্ট্রোল থাকবে। চতুর্থ কাজটি দ্রুত ডেটা পাঠানো, স্পীড বাড়ানো অর্থাৎ Cache Memory।
এবার এই ৮টা ইউনিট বা অংশের মধ্যে ২টো খুব শক্তিশালী হলো Phoenix L এর স্পীড হলো 4.74 Hz। এই অংশ দুটো খুবই কাজ করে, অনেক গতি। আর ৬টি অংশ হলো Phoenix M, এর স্পীড 3.62 GHz। এই অংশ প্রতিদিনের সাধারণ কাজ সামলিয়ে নেয়। Samsung Galaxy S26 Ultra vs S25 Ultra Comparison বলছে CPU performance এর উপর অনেকটাই ফোনের পারফরম্য়ান্স শক্তিশালী হয়ে থাকে। কারণ CPU হচ্ছে ফোনের ব্রেন। মানুষের ব্রেন যেমন সমস্ত কিছু কন্ট্রোল করে থাকে তেমনই ব্যাপার ফোনের ক্ষেত্রেও আলাদা কিছু নয়।
CPU কোর ইউনিটের Oryon V3 থার্ড জেনারেশনের নতুন একটি ভার্সন। যেটি Qualcomm তৈরি করেছে। যা আগের স্যামসাং S25 আল্ট্রাতে ছিল Oryon V2 সেকেণ্ড জেনারেশন CPU core unit। S25 এর চেয়ে S26 আল্ট্রাতে এখন পারফরম্যান্স অনেকটাই বেশি থাকবে।
স্যামসাং S26 গ্রাফিক্সের জন্য় (GPU) থাকছে Adreno 840। এর ক্লক স্পীড হলো 1.3 GHz, প্রতি সেকেণ্ডে 130কোটি বার দ্রুত ঘুরে কাজকে ফাস্ট করতে পারে। আর স্যামসাং S25 এ GPU হচ্ছে Adreno 830। এর ক্লক স্পীড 1200 MHz অর্থাৎ 120 কোটি বার ঘুরে কাজ করে। তাহলে গ্রাফিক্সের ক্ষেত্রেও S26 এর পারফরম্য়ান্স S25 এর চেয়ে 10 কোটি cycle পারফরম্য়ান্স বেশি।
Samsung Galaxy S26 Ultra vs S25 Ultra Comparison প্রতিবেদনে S26 Ultra ফোনের Qualcomm নামে একটা আমেরিকার কোম্পানীটি যে চিপসেট বানিয়েছে S26 Ultra এর জন্য। এর মডেল নম্বর SM8850-1-AD। যেমন, আগে যেগুলো উদাহরণ দিয়ে বলা হয়েছে তার মধ্যে CPU, GPU, AI ও Network ছাড়াও যাবতীয় কাজগুলি একসাথে মিলে যে পারফরম্যান্স আমাদের ফোনে সংঘটিত হয় তার মধ্যে Snapdragon 8 একটা ফ্ল্যাগশিপ সিরিজের চিপসেট যা S26 Ultra ফোনে রয়েছে। তার মধ্যে Elite শক্তিশালী ভার্সেনের পঞ্চম (5ম) জেনারেশনের নতুন ভার্সন ব্যবহার হচ্ছে। কিন্তু S25 Ultra তে Qualcomm কোম্পানীর মডেল নম্বর SM8750-AC। Snapdragon 8 Elite 4 জেনারেশনের ব্যবহার রয়েছে ফোনটিতে। সেদিক থেকে দেখতে গেলে S26 Ultra ফোনটি S25 Ultra ফোনের তুলনায় 11% বেশি মাল্টি কোর পারফরম্যান্স দেয়। অর্থাৎ ভারী কাজ, গেমিং ও মাল্টিটাস্কিং এ S26 Ultra ফোন এগিয়ে আছে।
Also Read: When will samsung galaxy s26 ultra launch in india
S26 Ultra তে Flash storage রয়েছে UFS 4.X। যেখানে ডেটার গতি খুব ফাস্ট। ফ্ল্যাশ স্টোরেজে ডেটা পারমানেন্টভাবে সেভ থাকে। সেখানে RAM এ ডেটা কারেন্ট চলে গেলে মুছে যেতে পারে। কিন্তু গতিতে RAM এর মতো সেভ হবে না। S26 Ultra এর স্পীড UFS 4.0 যা গতিতে দুই ফোনের একই সমান গতি।
S26 Ultra ফোনের অপারেটিং অর্থাৎ প্রধান সফটওয়্যার হলো Android 16। Up to 7 major Android upgrades মানে আপনি যদি S26 Ultra ফোন কেনেন তাহলে পরপর যত আপডেট আসবে অন্তত ৭টা Android আপডেট আপনি পেয়ে যাবেন। অর্থাৎ Android 16, Android 17 এবং Android 18 এরপর আরও আপডেট Android 19 এবং আরও আসতে থাকবে আপনি পাবেন সবগুলির আপডেট। এছাড়াও স্যামসাং এর সুন্দর One UI 8.5 ইন্টারফেস যা আপনার অ্যাণ্ড্রয়েড ফোনকে আরও সমৃদ্ধ করবে, বৈশিষ্ট্যপূর্ণ করে তুলবে।
S25 Ultra তে অপারেটিং সফটওয়্য়ার Android 15। up to 7 major Android upgrades এখানে পাওয়া যাবে ৭টা আপডেট বিনামূল্যে। স্যামসাং নিজের ইন্টারফেস One UI 8 সুন্দর ভার্সন। অপারেটিং, আপডেট সব দিক থেকে দুই ফোনের একই বিষয়বস্তু। যেটা পরিবর্তন হয়েছে সেটা হলো S25 Ultra এর তুলনায় S26 Ultra একটু Refined হয়েছে এবং Upgraded হয়েছে। Samsung Galaxy S26 Ultra vs S25 Ultra Comparison এই কথাটিই সবসময় আলোচনার বিষয়বস্তু হয়েছে।
Samsung S26 Ultra vs S25 Ultra Design
Samsung S26 Ultra স্মার্টফোনের ডিজাইন S25 Ultra design তুলনায় কিছুটা পরিবর্তন হলেও এর গুরুত্ব রয়েছে এবং ব্যবহারের ক্ষেত্রে ইউজাররা আগের ফোনের চেয়ে একটু বেশি সুবিধা পেয়ে যাবে। Samsung Galaxy S26 Ultra vs S25 Ultra Comparison এ আপনারা জানবেন, পুরনো মডেল আর নতুন মডেলে ডিজাইন ও ডিসপ্লেতে কি কি তফাৎ হয়েছে। পুরনো S25 আল্ট্রার চেয়ে নতুন S26 আল্ট্রা ওজনে একটু বেশি হালকা এবং স্লিম মডেলের। S26 আল্ট্রার পিছনের ক্য়ামেরা ডিজাইন Pill-shaped অর্থাৎ যেমন ওষুধের মধ্যে ক্যাপসুল হয় পুরোপুরি তার মতো ডিজাইনে রাখা হয়েছে। পিছনে তিনটি সেন্সর রয়েছে আর একটা বাইরে রাখা আছে। পুরনো মডেল গ্য়ালাক্সি S22 বা তার পরের যেমন ক্য়ামেরাতে আলাদা আলাদা লেন্স বসানো থাকত এখন কিন্তু সেরকম ডিজাইনের ক্যামেরা মডিউল নেই এখন রিয়ার ক্যামেরা মডিউল একসঙ্গে সেট আপ করা থাকে। S26 Ultra মডেলের ফোনটিতে edges বা কোণাগুলি একটু বেশি Rounded আকারে করা হয়েছে যাতে হাতে ধরতে বেশি সুবিধা ও স্বাচ্ছন্দ্য লাগে অর্থাৎ ফোনের বডির অংশ S25 Ultra এর চেয়ে পরিবর্তন হয়েছে। S26 আল্ট্রা ফোনে একটা নতুন Privacy Display feature যোগ হয়েছে। যার কাজ হলে ধরুন আপনি বাইরে বসে কিছু প্রাইভেট তথ্য ঘাঁটছেন বা ব্য়াঙ্কিং ইনফরমেশন চেক করছেন যে ম্যাসেজটি হঠাৎ আপনার ফোনে ঢুকেছে আপনি সেটি চেক করছেন। এবার পাশে যদি কোন লোক বসেও থাকে আপনার ফোনের স্ক্রিনটি তার কাছে ব্লাক কালারে চোখে আসবে, ফলে আপনার এতটা কাছে বসে থাকা সত্ত্বেও আপনার তথ্য আপনিই দেখতে পাবেন তার চোখে আসবে না। আরও ভালো করে অনুভব করতে পারবেন যখন আপনি নিজের ফোনের লক খুলতে যাবেন, আপনার পাসওয়ার্ড ব্যবহার করবেন তখন কাছে থাকা ব্যক্তির নজরে আসবে না আপনি কি লিখছেন। এতে আপনি দারুণ সেফ থাকতে পারবেন। আগের ফোন S25 Ultraতেও এই ফিচার ছিল তবে Flexible magic pixel থাকতো যা গুরুত্বপূর্ণ কিছু ইউজার সার্চ করলে বা ঘাঁটলে পিক্সেল কমিয়ে কালো করে দিত স্ক্রিনকে। S25 আল্ট্রা ফোনটিতে টাইটেনিয়াম বডির প্রিমিয়াম ফোন ছিল কিন্তু এখন S25 আল্ট্রাতে লাগানো হয়েছে armor alluminium frame। Samsung Galaxy S26 Ultra vs S25 Ultra Comparison এ দুই ফোনের বডি ফ্রেমেতে যে ধাতব জিনিস একটু আপগ্রেড করেছে স্যামসাং তাতে একেবারে প্রিমিয়াম ফিল না দিলেও ফোনটি হালকা ও খুব কমফরটেবল লাগবে ব্যবহারে। স্যামস্য়াং S26 আল্ট্রাতে Gorilla Armor 2 লাগানো আছে যেটা স্ক্রিনে দাগ দিলেও scratch পড়বে না। তাছাড়াও ব্য়াক প্য়ানেলে Victus 2 এর সুরক্ষা কবচ রয়েছে যাতে গ্লাস ভাঙবে না হাত থেকে পড়ে গেলেও। আল্ট্রার আগের ফোনটিতে কালার depth 8বিট থাকলেও নতুন আল্ট্রার কালার ডেপথ হচ্ছে 10 বিট। যার গভীরতা বেশি ও দেখতে অনেকটা ন্যাচারাল লাগে। একদম সারসংক্ষেপ করলে এটা দাঁড়ায়।
Samsung S26 Ultra | Samsung S25 Ultra |
| Body 163.6 x 78.1 x 7.9mm (6.44×3.07×0.31) Weight 214gram Build গ্লাস ফ্রন্ট (কর্নিং গরিলা Armor 2), গ্লাস ব্যাক (গরিলা গ্লাস Victus 2), অ্যালুমিনিয়াম ফ্রেম SIM Nano SIM+NanoSIM+eSIM+ eSIM(max 2 at a time) – ইন্টারন্য়াশানাল Nano SIM+eSIM+eSIM (max 2 at a time) -USA Nano SIM+NanoSIM – CN IP68 dust tight and water resitant (জলে ডুবিয়ে রাখা যায় up to 1.5 মিনিট থেকে 30 মিনিট) Stylus Armor অ্যালুমিনিয়াম 2 ফ্রেম | Body 162.8x 77.6 x 8.2mm (6.41×3.06×0.32) Weight 217gram Build গ্লাস ফ্রন্ট (কর্নিং গরিলা Armor 2), গ্লাস ব্যাক (গরিলা গ্লাস Victus 2), টাইটেনিয়াম ফ্রেম SIM Nano SIM+NanoSIM+eSIM+ eSIM(max 2 at a time) – ইন্টারন্যাশানাল Nano SIM+eSIM+eSIM (max 2 at a time) -USA Nano SIM+NanoSIM – CN IP68 dust tight and water resitant (জলে ডুবিয়ে রাখা যায় up to 30মিনিট) Stylus Armor অ্যালুমিনিয়াম 2 ফ্রেম |
| ডিসপ্লে Type ডায়নামিক LTPO অ্যামোলেড 2X, 120Hz, HDR10+ 2600nits(peak) Size 6.9″, 115.9cm2 (~90.7% স্ক্রিন টু বডি রেশিও) রেজোলিউশন 1440x3120pixels, 19.5:9 ratio (~500ppi density) Protection কর্নিং গরিলা Armor 2, Mohs, level 6 DX anti-reflective coating Privacy Display | ডিসপ্লে Type ডায়নামিক LTPO অ্যামোলেড 2X, 120Hz, HDR10+ 2600nits(peak) Size 6.9″, 116.9cm2 (~92.5% স্ক্রিন টু বডি রেশিও) রেজোলিউশন 1440x3120pixels, 19.5:9 ratio (~498ppi density) Protection কর্নিং গরিলা Armor 2, Mohs, level 6 DX anti-reflective coating
|
স্যামস্য়াং S26 আল্ট্রা ফোনের ডিসপ্লে হাই কোয়ালিটির Dynamic LTPO AMOLED 2X ডিসপ্লে। স্যামসাং এর আগের ফোনগুলির চেয়ে বেশি ব্রাইটনেস দেবে। পারফরম্যান্সেও 2x মানের। 120Hz রিফ্রেশ রেট। আপনি ফোন স্ক্রলিং করে মজা পাবেন সবসময়। দারুণ স্মুথ এর স্ক্রলিং সিস্টেম। সূর্যের আলোতে পরিষ্কার ডিসপ্লে বোঝা যাবে। চোখের পক্ষে খুব আরামদায়ক এর ডিসপ্লে স্ক্রিন।

HDR10 উচ্চ ডায়নিক রেঞ্জ। বেশি উজ্জ্বল আলোতে সুন্দর ছবি এবং কম আলো বা অন্ধকারেও ভালো ছবির মিশ্রণ কোয়ালিটি দারুণ মানের। স্ক্রিনের ব্রাইটনেস 2600nits(peak) সর্বোচ্চ ডিসপ্লে ব্রাইটনেস। প্রিমিয়াম মানের ব্রাইটনেস। উজ্জ্বল, ঝকঝকে ডিসপ্লে। স্যামস্য়াং S25 আল্ট্রাতেও একই ডিসপ্লে পারফরম্যান্স। S26 এবং S25 দুই ফোনেরই ভিডিও ডিসপ্লে স্ট্যান্ডার্ড মানের।
স্যামস্য়াং S26 এর ডিসপ্লে অনেক বড়ো 6.9″। ভিডিও, গেম খেলা, ব্রাউজিং করা যাবে দারুণভাবে। 115.9cm2 ফোনের জায়গা আপনাকে দেবে সবকিছু দেখার জন্য। দারুণ বড়ো area। 90.7% screen to body ratio, ফোনের চারপাশ পুরোটাই স্ক্রিন ফাঁকা জায়গা কম আছে। bezel অর্থাৎ চারিপাশে ফাঁকা বর্ডার কম আছে। অনেকটা জুড়ে স্ক্রিন রয়েছে। অন্যদিকে স্যামস্য়াং S25 এর চারিপাশের ফাঁকা বর্ডার একটু কম S26 এর চেয়ে। 1থেকে 2% এর মতো পার্থক্য। চোখে পড়বেই না bezel বা বর্ডার। পুরোপুরি ফুল স্ক্রিন লাগবে।
স্যামস্য়াং S26 স্মার্টফোনের রেজোলিউশন 500ppi density দারুণ প্রিমিয়াম ফ্ল্যাগশিপ মানের। ভিডিও ও ছবিতে দারুণ পরিষ্কার ও ডিটেইল খুব সুন্দর। পড়ার সময় চোখে খুব আরাম লাগবে। গেম স্মুথ চলবে, গ্রাফিক্স দুর্দান্ত মানের, চোখে ধরে। স্যামস্য়াং S25 এর 498ppi density S26 এর থেকে 2 মান কম। চোখেই পড়বে না পার্থক্যটা। দুটো ফোন একইরকম পরিষ্কার ছবি ও ভিডিও দেয়, ডিটেইল একইরকম। Samsung Galaxy S26 Ultra vs S25 Ultra Comparison এ আপনারা যদি স্যামস্য়াং S25 আল্ট্রার ফোন ব্যবহার করে থাকেন তাহলে জানাবেন, ব্যবহারে এর ডিসপ্লে রেজোলিউশন, ডেনসটি কতটা ঠিক লাগছে, যা এখানে আলোচনা করা হয়েছে।
Corning Gorilla Armor 2 ব্যবহার হয়েছে মানে S26 স্মার্টফোনকে প্রোটেকশনের জন্য, স্ক্র্যাচ থেকে রক্ষা করার জন্য Armor 2 লাগানো আছে যা স্যামসাংয়ের আগের ফোনগুলি থেকে অনেক সক্রিয় ও শক্তিশালী।
Mohs, level 6 অর্থাৎ লেভেল 6 এর হার্ডনেস সাপোর্ট করছে এই S26 এ। চাবি, কয়েন এইসব দিয়ে স্ক্র্যাচ করলেও দাগ পড়বে না স্ক্রিনে। কিন্তু ধুলো, বালিতে স্ক্র্যাচ পড়তে পারে। ওইসব থেকে একটু সাবধানে থাকতে হবে। S25 তেও এগুলো সাপোর্ট করছে। প্রোটেকশনের দিকে থেকে দুটো ফোনই স্মার্ট ও সুরক্ষিত।
Corning বলে একটা আমেরিকার প্রযুক্তি কোম্পানী যারা Gorilla Glass স্মার্টফোনের জন্য বানিয়ে থাকে। DX anti-reflective coating ব্যবহার হয়েছে স্যামসাং এর S26 ফোনে। যেখানে সূর্যের আলো বেশি প্রভাব ফেলতে পারে না। ডিসপ্লে স্ক্রিন পরিষ্কার দেখা যায়, বোঝা যায়। কনট্রাস্ট খুবই ভালো হয়। বাইরে বা outdoor ফোন ব্যবহার করলে অনেক পরিষ্কার আসে ডিসপ্লে গ্লাস। S25 ফোনেও একই DX anti-reflective coating প্রযুক্তি ব্যবহারের ফলে বাইরে দিনেরবেলা ডিসপ্লে ঝকঝক করে, কম glare হয় স্ক্রিন ক্লিয়ার লাগে।
Privacy Display স্যামসাং এর S26 স্মার্টফোনে রয়েছে। এই টেকনোলজি অসম্ভব ভালো কারণ আপনি বাসেই যান বা ট্রেনেই যান বা যেকোন পাবলিক স্থানে যান না কেন ফোন চালু করলে তার স্ক্রিন শুধু আপনিই দেখতে পাবেন পাশের অন্য কেউ দেখতে পাবেন না। এতে আপনার প্রাইভেসি রক্ষা হয় তাই নাম প্রাইভেসি ডিসপ্লে। আবার একে anti spy screenও বলা হয়ে থাকে। কিন্তু স্যামসাং S25 এ অতটা জোরালো ছিল না, এখন নতুন আপগ্রেড হয়েছে S26 এ। Samsung Galaxy S26 Ultra vs S25 Ultra Comparison এ বারবারই বলা হয়েছে এই প্রাইভেসি ডিসপ্লে কতটা জরুরী একটা স্মার্টফোনে।
Samsung S26 Ultra | Samsung S25 Ultra |
| Primary Camera 200 MP, অ্যাপারচার f/1.4, 23mm(ওয়াইড),1/1.3″, 0.6µm, মাল্টি-ডাইরেকশনাল PDAF,OIS 10 MP, অ্যাপারচার f/2.4, 67mm(টেলিফটো), 1/3.94″, 1.0µm, PDAF, OIS, 3x অপটিক্যাল জুম 50 MP, f/2.9, 111mm(পেরিস্কোপ টেলিফটো), 1/2.52″, 0.7µm, PDAF, OIS, 5x অপটিক্যাল জুম 50 MP, অ্যাপারচার f/1.9, 120˚(আল্ট্রাওয়াইড), 1/2.5″, 0.7µm, ডুয়াল পিক্সেল PDAF, Super Steady video Features লেসার AF, Best Face, Horizon Lock, LED flash, auto-HDR, প্য়ানোরমা Video 8K@24/30fps, 4K@30/60/120fps 1080p@30/60/120/240fps 10-বিট HDR, HDR10 স্টিরিও সাউণ্ড রেকর্ডিং এবং gyro-EIS | Primary Camera 200 MP, f/1.7, 24mm(ওয়াইড),1/1.3″, 0.6µm, মাল্টি-ডাইরেকশনাল PDAF,OIS 10 MP, অ্যাপারচার f/2.4, 67mm(টেলিফটো), 1/3.52″, 1.12µm, PDAF,OIS, 3x অপটিক্যাল জুম 50 MP, f/3.4, 111mm(পেরিস্কোপ টেলিফটো), 1/2.52″, 0.7µm, PDAF, OIS, 5x অপটিক্যাল 50 MP, অ্যাপারচার f/1.9, 120˚(আল্ট্রাওয়াইড), 1/2.5″, 0.7µm, ডুয়াল পিক্সেল PDAF,Super Steady video Features লেসার AF, Best Face, LED flash, auto-HDR, প্য়ানোরমা Video 8K@24/30fps 4K@30/60/120fps 1080p@30/60/120/240fps 10-বিট HDR HDR10+ স্টিরিও সাউণ্ড রেকর্ডিং এবং gyro-EIS |
| সেলফি ক্যামেরা Single 12 MP, অ্যাপারচার f/2.2, 23mm (ওয়াইড), 1/3.2″, 1.12µm, ডুয়াল পিক্সেল PDAF Features HDR, HDR10+ Video 4K@30/60fps ও 1080p@30fps | সেলফি ক্যামেরা Single 12 MP, অ্যাপারচার f/2.2, 26mm (ওয়াইড), 1/3.2″, 1.12µm, ডুয়াল পিক্সেল PDAF Features HDR, HDR10+ Video 4K@30/60fps ও 1080p@30fps |
200 MP রেজোলিউশনের S26 Ultra এর ক্যামেরা। এটা খুব High রেজোলিউশন। ছবির ডিটেইলস ভালো আসে। তবে সবসময় 200 মেগাপিক্সেল ব্যবহার করা যায় না। কারণ এর পিক্সেল 0.6µm যা সাধারণভাবে খুবই ছোট মানের। তাই পিক্সেল বাড়িয়ে pixel binning করে ছবির কোয়ালিটি আনতে হয়। Low light ভালো ছবি আসবে না পিক্সেল কম হলে। তাই পিক্সেল বাড়িয়ে ছবি তোলা সম্ভব হয়। S25 Ultra এর ক্যামেরার রেজোলিউশনও একই মানের।




