কম্পিউটার ট্রেনিং করে কি কি চাকরি পাওয়া যায়?

মাস্টার ডিগ্রি করার পর জবের জন্য অ্যাপ্লাই করে যখন ইন্টারভিউয়ের জন্য় ডাক আসে!  ইন্টারভিউ নেওয়ার সময় Interviewer হঠাৎ প্রশ্ন করে বসেন আপনার কি কম্পিউটারের কোন ডিপ্লোমা বা ডিগ্রি কোর্স করা আছে? তখনই মাথায় বাজের মতো পড়ে যায় অনেকের, কারণ জেনারেল পড়াশোনা করার সময় কম্পিউটারের ভালো কোর্স বা বেসিক ডিপ্লোমা পর্যন্ত করার সময় হয় নাই। জেনারেল ডিগ্রি করার সময় একবারও ভাবা হয়নি যে বর্তমান দিনে কম্পিউটারের একটা ডিপ্লোমা অন্তত দরকার হয় চাকরি পাওয়ার জন্য়। এখন সব ছেলেমেয়েরাই জিজ্ঞেস করে এই কথাটি- computer training diye ki job paoa jay? এই প্রসঙ্গই একটু আগে আলোচনা করা হল সাধারণ মানের চাকরিতেও এখন কম্পিউটার অভিজ্ঞতা বা কোর্সের একটা আলাদা অপশন থাকে বা ইন্টারভিউয়ের সময় আপনাকে কম্পিউটারের কি কি সার্টিফিকেট অর্জন করেছেন তা দেখাতে বলা হয়। আসুন সেই বিষয়ই আজ আপনাদের জানাব, যে কম্পিউটারের বেসিক ও অ্যাডভান্স কোর্স করে অন্তত একটা চাকরি জুটিয়ে নেওয়া যায়।

computer training ki?

কম্পিউটার ট্রেনিং বলতে, কোন সরকার স্বীকৃত প্রতিষ্ঠান বা বেসরকারি কম্পিউটার স্কুলে পড়াশোনা করার নামই ট্রেনিং নয়। এই নয় যে ৬ মাসের বা ১ বছরের কোর্স বা ট্রেনিং করলাম আর তাতে অনেক সময় উপকৃত হব, এই ধারণার আজকালকার দিনে আর কোনো ভিত্তি নাই। কারণ এতসব ছেলেমেয়ে কম্পিউটারের স্কুলে ভর্তি হয়ে কম্পিউটার এডুকেশন নিচ্ছে। সেখানে শুধুমাত্র কম্পিউটার শেখাটাই বর্তমানে উপযুক্ত ট্রেনিং হিসাবে গণ্য হবে না। এমন জায়গায় ট্রেনিং নেওয়া উচিত যেখানে থিওরি, প্র্যাকটিক্যাল তার সঙ্গে শেখাতে হবে বর্তমানে সময়ে যুগোপযোগী কোর্সগুলি যা আপনাকে দেবে একটা উপযুক্ত বেতনের চাকরি (computer training diye ki job paoa jay)। শুধু সার্টিফিকেট ভিত্তিক কম্পিউটার ট্রেনিং এডুকেশন আপনার জীবনে সাফল্য আনবে না। চাই আরও পরিশ্রম, দৈনন্দিন অভ্যাস ও বর্তমান সময়ের কথা মাথায় রেখে সেইরকম Relevant কোর্স  বা ট্রেনিং, যেসকল ট্রেনিং সিস্টেম আপনাকে এনে দেবে একটা অর্থ উপায়ের ভাবনা বা কৌশল। সেইসকল ইনস্টিটিউটই বাছবেন ট্রেনিংয়ের জন্য যে কম্পিউটার প্রতিষ্ঠানগুলি আপনাকে শুধু ট্রেনিং এর সার্টিফিকেট প্রদান করবে না, আপনি সেখানে কোর্সের ভ্যালু পর্যন্ত পাবেন।

computer course kore ki ki job paoa jay

এখনকার দিনে এতটাই কম্পিটিশন বেড়ে চলেছে যে সত্যি বলতে, কম্পিউটার শুধুমাত্র বেসিক কোর্স করে আপনি জব বা কম্পিটিশনে এগোতে পারবেন না। তার সঙ্গে জরুরি নিজেকে সময় দেওয়া, সময়ের সঙ্গে নিজেকে তৈরি করা ও সর্বোপরি নিজেকে আপডেট রাখা। এই সবগুলি আপনাকে এক চিরন্তন অভ্যাসে পরিণত করবে। যেমন ধরুন, আপনি বেসিকই শিখেছেন সেই শেখাটুকু দিয়ে আপনি কিছু সরকারি কাজ- কম্পিউটার অপারটের, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর এবং বেসরকারিতে অফিস অ্যাসিস্ট্যান্ট, ব্যাক অফিস এক্সিকিউটিভ এর দায়িত্ব সামলাতে পারবেন।

Data entry job salary koto

আবার ধরুন, আপনি গ্রাফিক্সের কাজ শিখেছেন, এখন তো সব জায়গায় গ্রাফিক্সের ব্যবহার AI আসাতে তো গ্রাফিক্সের রমারমা আরও বেড়েছে। এআই দিয়েও মানুষ অ্যাডভান্সড গ্রাফিক্স বানিয়ে নিচ্ছেন কিন্তু রিয়েলিটি তাতে অনেকটাই কম। তাই গ্রাফিক্স ডিজাইনারদের চাহিদা বর্তমানে অনেক রয়েছে অরিজিনাল ও রিয়েল ডিজাইন বানানো ক্ষেত্রে। ডিজিটাল মার্কেটিং এ গ্রাফিক্স ডিজাইনারদের চাহিদা রয়েছে। আপনি বলবেন, এআই দিয়ে তো অনেকে তাদের ব্যবসার ডিজাইন বানিয়ে নিচ্ছেন তাহলে গ্রাফিক্স ডিজাইন computer training diye ki job paoa jay? তাহলে বলব, হ্য়াঁ এখনও পাওয়া যায় কারণ, এআই দিয়ে যেসব ডিজাইন বানানো যাচ্ছে সেগুলো মানুষে অনেক সময় Fake ভেবে নিচ্ছে এবং অরিজিনালিটি নেই বলে বিশ্বাসও হারাতে পারে এইসব ক্ষেত্রে। তাই এআই বানালেও আপনার তৈরি ডিজাইন কাজে আসবে মার্কেটিং এর জন্য। ধরুন একটা লোগো এআই আপনাকে আপনার ক্লায়েন্টের জন্য় বানিয়ে দিল কিন্তু সেই লোগোটি আপনার ক্লায়েন্টের পছন্দ হলো না তখন আপনাকে ডিজাইনার দিয়েই বানাতে হবে বা এডিট করে নিতে হবে।

Graphic Designer job salary kato

একইভাবে Freelancing করতে চাইলেন Fiverr, Upwork এর মতো জায়গায়। সেখানে আপনার ক্লায়েন্ট আপনার নিজস্বতা দেখবে, তারা আপনার অরিজিনাল ডিজাইনকেই প্রেফার করবে রেটিং দেবে এআই বানানোতে নয়।

তারপরেরটা হলো ওয়েব ডেভেলপমেন্ট কোর্স সেখানে আপনি Html, Css, Javascript ও আরও অনেক ধরনের প্রোগ্রামিং শিখলেন। তাহলে Web Design শিখে নিজেকে আরও আপগ্রেড করে তুললেন। কোর্সটি শিখলে আপনি স্ট্যাটিক ওয়েবসাইট বানাতে পারবেন। ভালো ভালো ইকমার্স সাইট বানাতে পারবেন, গিটহাবের মাধ্যমে কোডিং আদান প্রদান করতে পারবেন। আপনার প্রশ্ন হল- এই ট্রেনিংটি কি? এই computer training diye ki job paoa jay? এটা হলো একটা ওয়েবসাইট যেখানে আপনি আপনার ব্যবসার জন্য প্রোডাক্ট সেল থেকে শুরু করে ক্লায়েন্টের জন্য জুতোর দোকান, শাড়ির দোকান এবং ভিন্ন ভিন্ন Shop অনলাইনের মাধ্যমে ওয়েবসাইট বানিয়ে তাকে ভিজিবল করে দেওয়া যায়। কাস্টমার আপনার তৈরি সেই ওয়েবসাইটে এসে জিনিসপত্র কিনতে ও দেখতে পারবেন।

Web development job salary kato

আবার আপনি যদি কোডিং এর মতো ঝামেলার কোন কোর্স না করে CMS সিস্টেম অর্থাৎ সফটওয়্যার বেসড ওয়ার্ডপ্রেস সাইট বানিয়ে একইভাবে নিজের ব্যবসা বা ক্লায়েন্টের ব্যবসাকে ডিজাইন করতে পারবেন। তাহলে যদি আপনার এই কোর্স শেখা থাকে তা কাজে লাগিয়ে ফ্রন্টটেন্ড ডেভলপার, ব্যাকেনড ডেভলপার এবং ক্লায়েন্টদের সার্ভিস দিয়ে ফ্রিল্যান্সিং এর কাজও করতে পারবেন।

এবার আসি, একটু বড়ো ধরনের কোর্স বিষয়ে যেটা শিখে আপনার ক্যারিয়র তুঙ্গে উঠতে পারে। এইসব বড়ো কিছু কম্পিউটার ট্রেনিং করে আপনি আপনার বাবা-মায়ের মুখ উজ্জ্বল করে তুলতে পারবেন সহজেই। সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্টের কোর্স করে সফটওয়্যার ডেভলপার হিসাবে নিজে একজন ব্রাণ্ড ও প্রতিষ্ঠিত একজন ডেভেলপার হতে পারেন। বর্তমানে ওয়েবসাইট এখন অনেকটা ছোট অ্যাপে কনভার্ট হয়ে গেছে। ব্যবসার জন্য ক্লায়েন্টের পছন্দমতো অ্যাপ তৈরি করে দিতে পারেন যেখানে টিউশনির জন্য কোচিং এখন ছোট্ট অ্য়াপের মধ্যে চলে আসে, গোটা শপিং মলও এখন অ্যাপের মধ্যে ঢুকে পড়েছে। কি না নেই এই অ্যাপের মধ্যে সবকিছুতেই এখন App। তাই অ্যাপ ডেভলপারদের, গেমিং অ্যাপ ডেভলপারদের চাহিদা আকাশছোঁয়া হতে যাচ্ছে। তাই computer training diye ki job paoa jay? আপনার নির্দিষ্ট একটা বাক্যবন্ধের উত্তরে বলা যায় আপনি অ্যাপ ডেভলপার ট্রেনিংটা কমপ্লিট করুন আর বিভিন্ন ছোটো, বড়ো কোম্পানী, IT Company যেখানে অ্যাপ ডেভলপারদের হায়ার করে সেখানে Apply করুন। বাড়িতে বসে আপনি রিমোট জব পাবেন এবং বাইরে একটা নেমপ্লেট দিতে পারবেন আপনি একজন সফটওয়্যার ডেভলপার।

আর একটু অন্যধরনের পথে আপনি হাঁটতে পারেন। আপনি একজন অ্যাকাউন্ট্যান্ট হয়ে যান, অ্যাকাউন্টিং শিখুন। বিভিন্ন সরকারি বা বেসরকারি ইন্সটিটিউট আপনাকে শেখাবে অ্যাকাউন্টিং শিখে স্বনির্ভরের পথ, রোজগারের অন্য দিগন্ত। এখন অনলাইনেও এই অ্যাকাউন্টিং কোর্স করা সম্ভব। তবে কিছু অসুবিধা আছে। কোর্স শেষের পর হয়তো আপনি সেই ক্লাস টিউটরের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে পারছেন না বা ইন্সটিটিউটে যেমন আপনি আপনার ক্লাসের টিচারকে অনেক প্রশ্ন বা ডাউট ক্লিয়ার করে আনতে পারবেন এখানে তার সবসময় সুযোগ হবে না তার ফলে একটু ব্যাঘাত ঘটতে পারে। আবার অন্যদিকে অনলাইনে খরচ অনেকটা কম হয়। আপনি বলবেন, এই অ্যাকাউন্ট সফটওয়্যার বা হিসাব নিকাশ, ট্যাক্স, জিএসটি ইত্য়াদি শিখে কোথায় চাকরি পাওয়া যায় (computer training diye ki job paoa jay)। আপনাকে বলি, আপনি নিজেই অফিস খুলে বসতে পারবেন বিভিন্ন ব্যবসার অ্যাকাউন্ট খুলে দিতে পারবেন অর্থাৎ বিভিন্ন মাঝারি বা বড়ো ব্যবসায়ীকে তাদের রোজগারের সমস্তটা সরকারকে জানাতে হয় এবং বছরের শেষে একটা ট্যাক্স দিতে হয় সরকারকে একটা লিমিট অনুযায়ী। তাদের ট্যাক্সগুলো প্রদান আপনাকে করে দিতে হবে কারণ তারা সে কাজটি নিজেরা করতে পারবেন না। তাছাড়াও অনেক কোম্পানী, ফার্ম, ওষুধের দোকানে অ্যাকাউন্টান্ট,  GST অ্যাকাউন্ট্যান্ট হিসাবে জবে নিযুক্ত হতে পারবেন। ভালো স্যালারি সেখানে পাবেন।

আরও বড়ো ধরনের কাজে আসছি ধীরে ধীরে। সাইবার সিকিউরিটি নামটা সুরক্ষার সঙ্গে ব্যাপকভাবে জড়িত। বর্তমান সময়ে সিকিউরিটি একটা বড়ো question symbol (?) হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই সিকিউরিটি দেশের প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে একজন আম জনতা সবারই দরকার লাগে। বিশেষ করে সাধারণ গরীব, মধ্যবিত্ত এমনকি বড়োলোকদেরও আর্থিক সিকিউরিটি থাকাটা অত্যন্ত আবশ্যক হওয়া দরকার। যেহেতু অনলাইন ব্যবহার এতটাই বেড়েছে লেনদেনের ক্ষেত্রে, তথ্যের ক্ষেত্রে, সুরক্ষার ক্ষেত্রে তাই আপনি যদি সাইবার সিকিউরিটি বা নেটওয়ার্কিংয়ের কাজটা সঠিকভাবে শিখতে পারেন তাহলে আপনার জন্য বড়ো কাজের অফার বা দরজা খোলা থাকবে সবসময়। সরকারী তরফে হোক বা বেসরকারি কেন্দ্রেই হোক বা অন্য সুরক্ষা ডিপার্টমেন্ট। সে যাইহোক, নেটওয়ার্ক ইঞ্জিনিয়ার, সাইবার সিকিউরিটি অ্যানালিসিস্ট, সিস্টেম অ্যাডমিনিসট্রেটর প্রভৃতি ভারী শব্দের Designation আপনার নামের পাশে বা আগে লেগে যাবে চিরকালের জন্য। আর রোজগার (computer training diye ki job paoa jay), সুরক্ষা, সিকিউরিটি আপনার জন্য নিশ্চিত প্রদান। সাইবার সিকিউরিটি অফিসার হয়ে বাবা মায়ের কাছে যোগ্য মানুষ হয়ে উঠবেন সময়ের সঙ্গে সঙ্গে।

এছাড়া আরও আছে ভিডিও এডিটিং, মাল্টিমিডিয়া কোর্সের মাধ্যমে আপনি দক্ষ ভিডিও কনটেন্ট এডিটর, ইউটিউব এডিটর, কনটেন্ট ক্রিয়েটর হয়ে যাবেন এবং বিভিন্ন ক্রিয়েটিভ ইন্ডাস্ট্রিতে চাকরি পাবেন নিজের দক্ষতাকে কাজে লাগানোর সুযোগ পাবেন। ডিজিটাল মার্কেটিং এর মাধ্যমে অনলাইনে বিজ্ঞাপন মার্কেটিং এ ছোটো থেকে যাদের স্বপ্ন বা প্যাশন থাকে, সারা দেশে অনলাইন মার্কেটিং করে প্রচুর অর্থ উপার্জন, সম্মান অর্জন করা। সেইসব শিক্ষার্থী SEO, Digital Marketer, SEO Executive, Content Marketer বিভিন্ন প্রফেশনাল পদে কাজ করে ঘরে বসেই উপার্জন করতে পারবেন। কঠিন পরিশ্রম, দিনের পর দিন অভ্যাস তৈরি ও কাজের মাধ্যমে নিজেকে তৈরি করেই অনলাইন দুনিয়ায় নিজের জায়গাটুকু করতে সমর্থ আপনি হবেন। উপরের সমস্তকিছু যা আলোচনা করা হলো,  তা সবই কম্পিউটারকে কেন্দ্র করে তার মাধ্যমে প্রশিক্ষণ পেয়ে computer training diye ki job paoa jay এই গুরুতর এবং বর্তমান সময়ে দাঁড়িয়ে কঠিন প্রাসঙ্গিক প্রশ্নের মুখোমুখি এবং তার সমাধানসূত্র প্রতিবেদনের মাধ্যমে উত্থাপিত করে, সকল জ্ঞানকে ও ডিগ্রিকে সম্মানিত করে স্টেপ বাই স্টেপ বোঝানো হলো যে, আজকের দুনিয়াতে কম্পিউটার শিখে বেকার যুবক-যুবতীরা কিভাবে নিজের পায়ে দাঁড়াতে পারবেন এবং কম্পিউটারকে বেছে নেবেন নিজেদের ক্যারিয়ার হিসাবে।

beginner der jonno best computer course

মাধ্যমিক পাশ করার পর যারা প্রথম কম্পিউটার শেখার জগতে প্রবেশ করবে অর্থাৎ যাদের beginner বা নবীন শিক্ষার্থী বলে থাকি তাদের উদ্দেশ্যে বলি তোমরা যে কোন একটা পছন্দমতো Youth Computer Center বা যুব কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে ভর্তি হও। ভর্তির পর বেসিক যে ৬ মাসের কোর্স হয় সেই কোর্সে ট্রেনিং নিয়ে বাড়িতে যদি যে কোন কনফিগারেশনের কম্পিউটার কেনার সামর্থ্য থাকে বাবাকে বলে একটি কম্পিউটার যোগাড় করে নাও। আর যাদের সামর্থ্য নাই তারা যুব কম্পিউটার শিক্ষাকেন্দ্রে অনেক সময় পাশ আউট ছাত্রছাত্রীদের প্রাকটিস করার সুযোগ দিয়ে থাকে। সেখানে সপ্তাহে দুই অথবা তিন দিন গিয়ে অভ্যাস চালিয়ে যাও।

তোমাদের যে বেসিক কম্পিউটার কোর্সটা যুব কম্পিউটারে শেখানো হয় সেটি বেসিক কিছু সফটওয়্যারের কাজ, টাইপিং প্রাকটিস আর ইন্টারনেট ব্রাউজিং, এমএস অফিস ওয়ার্ডের কাজ, ইমেল তৈরি। ইত্য়াদি শিখে তোমরা ডেটা এন্ট্রি লেভেলের কাজ ভালোভাবে করতে পারবে। ইন্টারনেট ভালোভাবে চালাতে পারবে।

আর একটু অ্যাডভান্সড কোর্স বিগিনারদের জন্য এক্সেল, পাওয়ারপয়েন্ট, বেসিক কিছু প্রোগ্রামিং বা স্ক্র্য়াচ কোর্স।

এছাড়াও আরও কিছু বেসিক কম্পিউটার কোর্স সম্বন্ধে জানতে  what are basic computer courses এই আর্টিকেলটি পড়ুন।

computer job salary koto

আপনি যদি ডাটা এন্ট্রির কাজ করতে চান তাহলে মাসে স্যালারি হতে পারে প্রায় ₹ ১০,০০০। এরপর আপনি ডাটা এন্ট্রির কাজ করতে করতে অনলাইনে বা অফলাইনে অন্য কোন অ্যাডভান্সড কোর্স শিখে নিতে পারেন যেমন- অ্যাকাউন্টিং কোর্স ট্যালি, গ্রাফিক ডিজাইন, ওয়েবসাইট ডেভেলপমেন্ট ইত্যাদি কোন একটা কোর্স। তাহলে আপনার স্যালারি হবে ₹ ২০,০০০ থেকে ₹ ৪০,০০০ এর কাছাকাছি বা এরও বেশি।

Digital Marketer job salary kato

kon computer skill sabcheye beshi demand

বর্তমান সময়ে দারুণ দ্রুত দৌড়াচ্ছে টেকনোলজি। একটার পর একটা আধুনিক টেকনোলজি আসতেই থাকছে বছরের শুরুতে বা শেষে। সেইজন্য আপডেট থাকাটা খুবই প্রয়োজনীয় হয়ে পড়েছে এখনকার দুনিয়ায়। টেকনোলজি উন্নত হওয়ার পাশাপাশি কাজ করার পদ্ধতি (technique) শর্টকার্ট হয়ে আসছে। যেটা আপনার সময় লাগতো ১ ঘন্টা সেটা এখন ৫-১০ মিনিয়ে হয়ে যাচ্ছে। কিন্তু সেই কাজটি তাড়াতাড়ি করার জন্য় যে স্কিলটা লাগবে সেটা আপনাকে জানতে হবে। তাই কম্পিউটার স্কিল শেখাটা এখন সবচেয়ে বেশি demandable হয়ে দাঁড়িয়েছে। আপনি যদি বলেন এমন কি অ্যাডভান্স কোর্স আছে সেই কোর্সের ট্রেনিং বা computer training diye ki job paoa jay? হ্যাঁ, সেরকম কোর্স আছে যে কোর্সগুলি আপনাকে নিশ্চিতভাবে একটা উপার্জনের পথে দেখাতে পারে। সেগুলি গ্রাফিক্স ডিজাইন হতে পারে, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট কোর্স, ডিজিটাল মার্কেটিং সঙ্গে AI এর ব্যবহার শেখা, ডেটা অ্যানালিসিস মতো কোর্সগুলি করা খুবই লাভজনক একটা ট্রেনিং বর্তমান সময়ে।

FAQ (computer training diye ki job paoa jay)

1. কম্পিউটার ট্রেনিং করে কি সত্যিই চাকরি পাওয়া যায়?

উত্তর – হ্য়াঁ, কম্পিউটার ট্রেনিং করলে এখনকার দিনে চাকরি পাওয়া সম্ভব। যেমন, data entry operator, office assistant, graphic designer, web designer ইত্যাদি। তবে স্কিল আরও বাড়িয়ে আপনার চাকরি পাওয়া নিশ্চিত করতে পারেন।

2. বেসিক কম্পিউটার কোর্স করে কি চাকরি পাওয়া সম্ভব?

উত্তর – হ্যাঁ, বেসিক কম্পিউটার কোর্স (MS Word, Excel, Internet) শিখে ছোটখাটো অফিস জব বা data entry কাজ আপনি পেতে পারবেন।

3. কোন কম্পিউটার কোর্স করলে দ্রুত চাকরি পাওয়া যায়?

উত্তর – Graphic Design, Web Development, Digital Marketing এবং Tally কোর্স করলে দ্রুত চাকরি পাওয়ার সুযোগ এখনকার দিনে বেশি আছে।

4. কম্পিউটার ট্রেনিং করতে কতদিন সময় লাগে?

উত্তর – বেসিক কোর্স ৩–৬ মাস আর অ্যাডভান্স কোর্স ৬–১২ মাসের সময় লাগতে পারে।

5. কম্পিউটার জবের স্যালারি কত হতে পারে?

উত্তর – বিগিনার হিসাবে ₹ ৮,০০০–১০,০০০ ভারতে পাওয়া সম্ভব। স্কিল বাড়ালে ₹২০,০০০–৫০,০০০ পর্যন্ত আয় করা যেতে পারে।

6. কম্পিউটার না জানলে কি চাকরি পাওয়া কঠিন?

উত্তর – হ্যাঁ, সমস্ত চাকরির জন্য কম্পিউটার জ্ঞান থাকাটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ, তাই basic skill থাকা দরকার আছে।

 7. বাড়িতে বসে কম্পিউটার শিখে কি আয় করা যায়?

উত্তর – হ্যাঁ, করা যায়। online প্ল্যাটফর্মে কাজ যেমন, freelancing, data entry, content writing, digital marketing করে বাড়ি থেকেই আয় করা সম্ভব।

8. ফ্রি কম্পিউটার কোর্স করে কি চাকরি পাওয়া যায়?

উত্তর – ফ্রি কোর্স করে basic knowledge পাওয়া যায়, কিন্তু ভালো একটা চাকরি জোটাতে গেলে practical skill ও experience থাকা দরকার।

9. কম্পিউটার ট্রেনিং সেন্টার থেকে সার্টিফিকেট কি জরুরি?

উত্তর – সবক্ষেত্রে আবশ্যক নয়, কিন্তু Certificate থাকলে চাকরি পাওয়ার ক্ষেত্রে কিছু সুবিধা পাওয়া যায়।

10. কোন কম্পিউটার স্কিল সবচেয়ে বেশি ডিমান্ডে?

উত্তর – বর্তমানে Graphic Design, Web Development, Digital Marketing, Data Analysis এই স্কিলগুলো সবচেয়ে বেশি Demandable অর্থাৎ চাহিদা বাড়ছে।

About Author
Subhasis Ghosal

আমি ইলেকট্রনিক্স ও টেলিকমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং-এ ডিপ্লোমা শেষ করেছি। পাশাপাশি ওয়েব ডেভেলপমেন্ট, ডিজিটাল মার্কেটিং এবং CeTA-তে সার্টিফিকেট রয়েছে। আমি গত ১ বছর ধরে gaget60.com-এ পাঠকদের জন্য সহজ ও উপকারী তথ্যভিত্তিক টেক কনটেন্ট তৈরি করছি।

Leave a Comment